নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

রাজনীতি

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপলক্ষে লাল, নীল, সবুজ গোলাপি সাজে নেতাকর্মীরা ভিড় জমিয়েছেন রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে নেতাকর্মীদের ভিড়। পুরো সম্মেলন অঙ্গন এখন নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখরিত।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১১টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। সম্মেলন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত। স্বাগত ভাষণ দেবেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ। অনুষ্ঠানে ১৩ হাজার আমন্ত্রিত অতিথি রয়েছন। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাকর্মীসহ ৩০ হাজার অতিথিকে আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে।

সম্মেলন উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সম্মেলন উপলক্ষে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীদের মিছিল সোহরাওয়ার্দীমুখী হয়।

সম্মেলনে উপস্থিত ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক রাকিব হাসান সোহেল বলেন, ‘উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনা সরকারের বিকল্প নেই। আর সরকার গঠনের জন্য চাই শক্তিশালী নেতৃত্ব, সেই নেতৃত্ব গঠনের জন্যই সম্মেলন। এ সম্মেলনে ত্যাগীরা স্থান পাবে এটিই কামনা করি।’

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগরী আওয়ামী লীগের সর্বশেষ ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর তিনবছর পর ২০১৬ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগকে উত্তর ও দক্ষিণে দুইভাগে বিভক্ত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম মহানগর দুই অংশের ৪৫টি থানা, ১০০টি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেন। এ কমিটিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তরের সভাপতি করা হয় এ কে এম রহমতুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক করা হয় মোহম্মদপুরের সাদেক খানকে। আর দক্ষিণে সভাপতি করা হয় পুরান ঢাকার হাজি আবুল হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক করা হয় শাহে আলম মুরাদকে।

সাংগঠনিক গুরুত্ব বিবেচনায় দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখা ঢাকা মহানগর। যা আওয়ামী লীগের শক্তিকেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে উপস্থিত আছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোজাফফর পল্টু, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বি এম মোজাম্মেল হক, এ কে এম এনামুল হক শামীম, দলের উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কেন্দ্রীয় নেতা আজমত উল্লাহ খান, জরিয়াজুল কবির কাওসার।